কার্তিক পূর্ণিমা 2027 in জমশেদপুর

রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৭· 400 দিন পরে

Advertisement
সংক্ষেপে

জমশেদপুর-এ কার্তিক পূর্ণিমা 2027 পড়ছে রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৭। পঞ্জিকা অনুযায়ী এটি কার্তিক পূর্ণিমা। সূর্যোদয় ৫:৫৮ AM এবং সূর্যাস্ত ৫:০০ PM।

ভারতের মতোই একই দিন · কার্তিক পূর্ণিমা 2027 →

অন্য নাম: দেব দিবালী · ত্রিপুরী পূর্ণিমা · গুরু নানক জযংতী

জমশেদপুর-এর সময়

তারিখ
রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৭
রবিবার
পঞ্জিকার তিথি
কার্তিক পূর্ণিমা
সূর্যোদয়
৫:৫৮ AM
সূর্যাস্ত
৫:০০ PM
চন্দ্রোদয়
৫:০১ PM
চন্দ্রাস্ত
৫:৫৫ AM

Shubh muhurat in জমশেদপুর

অভিজিত মুহূর্ত১১:০৭ AM – ১১:৫১ AM
রাহু কাল — ত্যাজ্য৩:৩৭ PM – ৫:০০ PM

The tradition names no separate muhurat for this festival — it is observed through the day. Abhijit is the day’s generally auspicious window and Rahu Kaal the one to avoid.

জমশেদপুর-এর আজকের পঞ্জিকা

Your chart, on this page

Birth details in, full kundli out — planets, houses, and the dasha period you are running now.

Make my free kundli

No account, nothing to install.

Advertisement

কার্তিক পূর্ণিমা কী?

কার্তিক পূর্ণিমা পালিত হয় দেব দীপাবলি — "দেবতাদের দীপাবলি" — এবং ত্রিপুরী পূর্ণিমা হিসেবে, যা ত্রিপুরাসুরের তিন নগরী শিবের ধ্বংস করার স্মারক। এই দিনেই গুরু নানক জয়ন্তীও পালিত হয়।

কীভাবে পালিত হয়

সন্ধ্যায় বারাণসীর ঘাট প্রদীপের সারিতে ভরে ওঠে। ভোরে নদীতে স্নান ও সন্ধ্যায় প্রদীপ ভাসানো এই দিনের চেনা আচার।

অন্য শহর

আগ্রাঅমদাৱাদঅজমেরআলিগড়Amravatiঅমৃতসরআসানসোলআউরঙ্গাবাদবাঙ্গালোরবেরেলিBhavnagarভোপাল

অন্য বছর

কার্তিক পূর্ণিমা 2026কার্তিক পূর্ণিমা 2028কার্তিক পূর্ণিমা 2029

আরও উৎসব

ছঠ পূজাভাঈ দূজগোবর্ধন পূজাদিবালীনরক চতুর্দশীধনতেরস
Advertisement

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

জমশেদপুর-এ কার্তিক পূর্ণিমা 2027 কবে?

জমশেদপুর-এ কার্তিক পূর্ণিমা 2027 পড়ছে রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৭। পঞ্জিকা অনুযায়ী এটি কার্তিক পূর্ণিমা।

জমশেদপুর-এ কার্তিক পূর্ণিমা 2027 কি ভারতের মতো একই দিনে?

হ্যাঁ। এ বছর জমশেদপুর ও ভারতে কার্তিক পূর্ণিমা একই দিনে, ১৪ নভেঃ, ২০২৭, পড়ছে — তবে সূর্যোদয় ও চন্দ্রোদয় স্থানীয় বলে পূজার সময় আলাদা।

কার্তিক পূর্ণিমা-কে আর কী কী নামে ডাকা হয়?

কার্তিক পূর্ণিমা-কে দেব দিবালী, ত্রিপুরী পূর্ণিমা, গুরু নানক জযংতী নামেও ডাকা হয়। এগুলি একই উৎসবের আঞ্চলিক নাম ও বানান।