নরক চতুর্দশী 2027 in জমশেদপুর

বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৭· 384 দিন পরে

Advertisement
সংক্ষেপে

জমশেদপুর-এ নরক চতুর্দশী 2027 পড়ছে বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৭। পঞ্জিকা অনুযায়ী এটি কার্তিক কৃষ্ণ পক্ষ চতুর্দশী। সূর্যোদয় ৫:৪৮ AM এবং সূর্যাস্ত ৫:০৯ PM।

ভারতের মতোই একই দিন · নরক চতুর্দশী 2027 →

অন্য নাম: ছোটী দিবালী · কালী চৌদস · রূপ চৌদস

জমশেদপুর-এর সময়

তারিখ
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৭
গুরুবার
পঞ্জিকার তিথি
কার্তিক কৃষ্ণ পক্ষ চতুর্দশী
সূর্যোদয়
৫:৪৮ AM
সূর্যাস্ত
৫:০৯ PM
চন্দ্রোদয়
৪:২০ AM
চন্দ্রাস্ত
৪:০৩ PM

Shubh muhurat in জমশেদপুর

অভিজিত মুহূর্ত১১:০৬ AM – ১১:৫১ AM
রাহু কাল — ত্যাজ্য১২:৫৪ PM – ২:১৯ PM

The tradition names no separate muhurat for this festival — it is observed through the day. Abhijit is the day’s generally auspicious window and Rahu Kaal the one to avoid.

জমশেদপুর-এর আজকের পঞ্জিকা

Your chart, on this page

Birth details in, full kundli out — planets, houses, and the dasha period you are running now.

Make my free kundli

No account, nothing to install.

Advertisement

নরক চতুর্দশী কী?

নরক চতুর্দশী, অর্থাৎ ছোট দীপাবলি, কার্তিকের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে কৃষ্ণের হাতে নরকাসুর বধ চিহ্নিত করে। কোনও কোনও বছরে এটি দীপাবলির সঙ্গেই একই দিনে পড়ে।

কীভাবে পালিত হয়

ভোরের আগে তেল মেখে স্নান — অভ্যঙ্গ স্নান — এই দিনের প্রধান আচার, যাকে বছরের দোষ ধুয়ে ফেলা বলে ধরা হয়। সন্ধ্যায় যমের উদ্দেশে একটি প্রদীপ জ্বালানো হয়।

অন্য শহর

আগ্রাঅমদাৱাদঅজমেরআলিগড়Amravatiঅমৃতসরআসানসোলআউরঙ্গাবাদবাঙ্গালোরবেরেলিBhavnagarভোপাল

অন্য বছর

নরক চতুর্দশী 2026নরক চতুর্দশী 2028নরক চতুর্দশী 2029

আরও উৎসব

ধনতেরসদিবালীগোবর্ধন পূজাভাঈ দূজছঠ পূজাকরবা চৌথ
Advertisement

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

জমশেদপুর-এ নরক চতুর্দশী 2027 কবে?

জমশেদপুর-এ নরক চতুর্দশী 2027 পড়ছে বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৭। পঞ্জিকা অনুযায়ী এটি কার্তিক কৃষ্ণ পক্ষ চতুর্দশী।

জমশেদপুর-এ নরক চতুর্দশী 2027 কি ভারতের মতো একই দিনে?

হ্যাঁ। এ বছর জমশেদপুর ও ভারতে নরক চতুর্দশী একই দিনে, ২৮ অক্টোঃ, ২০২৭, পড়ছে — তবে সূর্যোদয় ও চন্দ্রোদয় স্থানীয় বলে পূজার সময় আলাদা।

নরক চতুর্দশী-কে আর কী কী নামে ডাকা হয়?

নরক চতুর্দশী-কে ছোটী দিবালী, কালী চৌদস, রূপ চৌদস নামেও ডাকা হয়। এগুলি একই উৎসবের আঞ্চলিক নাম ও বানান।