রাহু (উত্তর পাতবিন্দু) নবম ভাবে / কেতু (দক্ষিণ পাতবিন্দু) তৃতীয় ভাবে
এই অবস্থান তথ্যের ভারে চাপা পড়া, যুক্তি ও উপাত্তের উপর অতি-নির্ভরতা, কোনও একটি বিশ্বাস বা পথে স্থির হতে অসুবিধা এবং বড় ছবিটা চোখ এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি করে।
ব্যক্তিত্ব: এক অস্থির, মানসিকভাবে অতি-উদ্দীপ্ত স্বভাব, যা স্থির হতে পারে না। নিছক যুক্তি ও বিশ্লেষণে নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রায়ই ভুল পথে নিয়ে যায়। কোনও বিশ্বাসের পিছনে দাঁড়াতে না পারায় জাতককে ভাসাভাসা বা অনির্ভরযোগ্য মনে হতে পারে।
জীবনের শিক্ষা: স্বজ্ঞা ও অন্তরের পথনির্দেশে ভরসা করতে শেখা। যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করা যায় না এমন কিছুর উপর বিশ্বাস গড়ে তুললে অর্থ মেলে, মানসিক উদ্বেগ থেকে স্বস্তি আসে, আর অন্যকে অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা জন্মায়।
কর্মজীবন: সত্যিকারের আবিষ্কার, আবেগ এবং অন্যকে অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা তথ্য জমা করে আসে না, আসে কোনও এক দৃষ্টিতে স্থির হয়ে সাহসের সঙ্গে তার পিছনে চলা থেকে।
আধ্যাত্মিকতা: নবম ভাবই দর্শন, উচ্চতর শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক অন্বেষণের স্বাভাবিক আবাস। এই পাতবিন্দু জাতককে ডাকে বিশ্বাস, প্রজ্ঞা এবং অনন্তকাল তথ্য জোগাড় না করে কোনও এক পথনির্দেশক নীতি ধরে বাঁচার দিকে।
---