পোংগল 2027 in বিজযবাডা

১৫ জানু, ২০২৭ – ১৭ জানু, ২০২৭· 141 দিন পরে

সংক্ষেপে

বিজযবাডা-এ পোংগল 2027 পড়ছে শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৭। উৎসবটি চলে ১৫ জানু, ২০২৭ – ১৭ জানু, ২০২৭ পর্যন্ত। সূর্যোদয় ৬:৪০ AM এবং সূর্যাস্ত ৫:৫৩ PM।

ভারতের মতোই একই দিন

অন্য নাম: থাঈ পোংগল · ভোগী · মট্টূ পোংগল · কানুম পোংগল

বিজযবাডা-এর সময়

তারিখ
শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৭
শুক্রবার
স্থিতিকাল
3 দিন
১৫ জানু, ২০২৭ – ১৭ জানু, ২০২৭
সূর্যোদয়
৬:৪০ AM
সূর্যাস্ত
৫:৫৩ PM
চন্দ্রোদয়
১১:১৫ AM

Shubh muhurat in বিজযবাডা

অভিজিত মুহূর্ত১১:৫৪ AM – ১২:৩৯ PM
রাহু কাল — ত্যাজ্য১০:৫২ AM – ১২:১৬ PM

The tradition names no separate muhurat for this festival — it is observed through the day. Abhijit is the day’s generally auspicious window and Rahu Kaal the one to avoid.

বিজযবাডা-এর আজকের পঞ্জিকা

পোংগল কী?

পোঙ্গল তামিলদের চার দিনের ফসল-উৎসব, যা তৈ মাসের সূচনা করে — ঐতিহ্য যাকে বছরের সবচেয়ে শুভ মাস বলে ("তৈ পিরন্দাল বলি পিরক্কুম", তৈ এলেই পথ খোলে)। তৈ পোঙ্গল মকর সংক্রান্তিরই সেই একই সৌর মুহূর্ত, তাই চান্দ্র উৎসবেরা ঘুরে বেড়ালেও এটি ১৪ বা ১৫ জানুয়ারিতেই স্থির থাকে।

কীভাবে পালিত হয়

আগের দিন ভোগী — পুরনো জিনিস পুড়িয়ে ঘর খালি করার দিন। তৈ পোঙ্গলের দিন মাটির হাঁড়িতে নতুন গুড় দিয়ে চাল ফোটানো হয়, যতক্ষণ না তা উপচে কানা ছাপিয়ে পড়ে — সেই মুহূর্তেই গোটা পরিবার "পোঙ্গলো পোঙ্গল" বলে ওঠে। মাট্টু পোঙ্গল লাঙল টানা গরুদের কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন, আর কানুম পোঙ্গল আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করার।

অন্য শহর

আগ্রাঅমদাৱাদঅজমেরআলিগড়Amravatiঅমৃতসরআসানসোলআউরঙ্গাবাদবাঙ্গালোরবেরেলিBhavnagarভোপাল

অন্য বছর

পোংগল 2025পোংগল 2026পোংগল 2028পোংগল 2029

আরও উৎসব

মকর সংক্রাংতিবসংত পংচমীমহা শিবরাত্রিহোলিকা দহনহোলীউগাদি

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

বিজযবাডা-এ পোংগল 2027 কবে?

বিজযবাডা-এ পোংগল 2027 পড়ছে শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৭।

পোংগল 2027 কত দিন চলে?

পোংগল 2027 চলে 3 দিন, ১৫ জানু, ২০২৭ – ১৭ জানু, ২০২৭ পর্যন্ত।

বিজযবাডা-এ পোংগল 2027 কি ভারতের মতো একই দিনে?

হ্যাঁ। এ বছর বিজযবাডা ও ভারতে পোংগল একই দিনে, ১৫ জানু, ২০২৭, পড়ছে — তবে সূর্যোদয় ও চন্দ্রোদয় স্থানীয় বলে পূজার সময় আলাদা।

পোংগল-কে আর কী কী নামে ডাকা হয়?

পোংগল-কে থাঈ পোংগল, ভোগী, মট্টূ পোংগল, কানুম পোংগল নামেও ডাকা হয়। এগুলি একই উৎসবের আঞ্চলিক নাম ও বানান।